সংবাদ শিরোনাম :

কোরআন দেখে তারাবির নামাজ পড়া নিয়ে যা বললেন আজহারী

রিপোর্টার
  • আপডেট সময় সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২০
  • ২৬ যত সময় দেখা হয়েছে

আলোচিত ইসলামি বক্তা মিজানুর রহমান আজহারী সম্প্রতি মাহে রমজানে ধারাবাহিক পাঁচটি লাইভ আলোচনা করবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন। সেই পাঁচটি লাইভ আলোচনার প্রথম পর্বে এক ব্যক্তি প্রশ্ন করেন নফল তথা (তারাবির) নামাজের মধ্যে কোরআন দেখে পড়া যাবে কি না।

এমন প্রশ্নে মিজানুর রহমান আজহারীর উত্তর ছিলো- কোরআন দেখে তারাবির নামাজ পড়া যাবে। কেননা তারাবির নামাজ ফরজ নয় যেহুতু এটা নফল বা সুন্নাহ নামাজ। সুন্নাহ বা নফল নামাজে কোরআন দেখে দেখে পড়া যায় কিন্তু এটা ফরজ নামাজে পড়া ঠিক হবেনা। ইসলামিক স্কলাররা বলেছেন ফরজ নামাজে এটা মাকরুহ হবে। সাহাবিদের সময়ে এটার প্রচলন ছিল না। তবে এটা তাবেয়ী বা তার পরবর্তী সময়ে এর প্রচলন শুরু হয়।

এ মাসয়ালা নিয়ে হয়রত আয়শা (রা.) এর একটা বর্ণনাও তুলে ধরেছেন তিনি, হযরত আয়শা (রা.) এর একজন দাস ছিলেন তিনি মাঝে মাঝে তার নামাজের ইমামতি করতেন। আর পিছনে আর হযরত আয়শা (রা.) ও অন্যান মহিলারা নামাজ আদায় করতেন। সেই দাস কোরআন থেকে দেখে দেখে তেলোয়াত করতেন। তাই সংক্ষিত উত্তর হলো নফল বা কিয়ামুল লাইলে আপনি চাইলে পড়তে পারেন। তবে না পড়লেই ভালো।

মিজানুর রহমানের এই মাসআলার পর কয়েকজন আলেম প্রশ্ন তোলেন। কেননা হানাফি মাযহাবে এ ধরেনের কোরআন দেখে পড়া নামাজরে প্রচলন নেই। আর যেহুতু মিজানুর রহমান আজহারী হানাফি মাজহাবের অনুসারী তাই তার এ মাসয়ালা হানাফি অনুসারিদের মধ্যে মত পার্থক্য সৃষ্টি করবে।

এমন আলোচনা-সমালোচনা তৈরি হওয়ার পর মিজানুর রহমান আজহারী ওই মাসআলা নিয়ে দ্বন্দ্বের অবসান ঘটনোর জন্য আজ রবিবার (২৬ এপ্রিল) তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক স্ট্যাটাসে এক ধরনের মনক্ষুন্ন হয় বলেন, ‍“আমি তো নিরুৎসাহিত করলাম!, আপনারা এত অতি উৎসাহী হয়ে উঠলেন কেন।”

পোস্টটি আপনার বন্ধুকে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
About Us | Privacy Policy | Term and Condition | Disclaimer |© All rights reserved © 2021 probashirnews.com