কখনোই হয়তো করোনার ভ্যাকসিন আবিষ্কার করা যাবে না, আশঙ্কা গবেষকদের

প্রকাশিত: এপ্রি ১৯, ২০২০ / ০৮:০০অপরাহ্ণ
কখনোই হয়তো করোনার ভ্যাকসিন আবিষ্কার করা যাবে না, আশঙ্কা গবেষকদের

করোনাভাইরাসের সংক্রমণে বিপর্যস্ত পুরো বিশ্ব। প্রাণঘাতী এ ভাইরাস মোকাবিলায় ওষুধ তৈরি থেকে শুরু করে ভ্যাকসিন আবিষ্কার করতে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন গবেষকরা। তবে করোনার বিপক্ষে সফল ভ্যাকসিন আবিষ্কার হয়তো কখনোই করা যাবে না বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন অস্ট্রেলিয়ার দুই গবেষক। অস্ট্রেলিয়ার সংবাদমাধ্যম এবিসির খবরে বলা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে অস্ট্রেলিয়ার বেশ কয়েকজন গবেষক করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন আবিষ্কারের চেষ্টা করেছেন। তাদেরই একজন ইয়ান ফ্রেজার। কুইন্সল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরি করা এই গবেষক ক্যানসারের জন্য দায়ী প্যাপিললোমা ভাইরাসের ভ্যাকসিন আবিষ্কারের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। কিন্তু করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন আবিষ্কার করতে গিয়ে তার মুখে শোনা গিয়েছে হতাশার সুর।

ভিডিওটি দেখুন এখানে

তিনি বলেন, ‘ঐতিহাসিকভাবে অন্য করোনাভাইরাসগুলোর (সার্স, মার্স) বিপক্ষে নিরাপদ ভ্যাকসিন তৈরি করা কষ্ট ছিল। এটি শ্বাসনালীতে সংক্রমণ করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘আগের করোনাভাইরাসের (সার্স, মার্স) ভ্যাকসিনের সমস্যা হলো ভাইরাস সংক্রমিত কোষগুলো যখন রোগ প্রতিরোধের প্রক্রিয়াটি অতিক্রম করে তখন এটি হ্রাস করার পরিবর্তে রোগটিকে বৃদ্ধি করে।’ সার্সের ভ্যাকসিন দেওয়ার ফলে প্রাণীদেহের ফুসফুসে প্রদাহ হয়েছে, ভ্যাকসিন না দেওয়া থাকলে এমন হতো না।’

কুইন্সল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের রোগতত্ত্ববিদ লারিসা লেজবিন বলেন, ‘আমাদের হাতে ইনফ্লুয়েঞ্জা, এইচপিভি ও অন্যান্য ভাইরাসের ভ্যাকসিন রয়েছে। কিন্তু নতুন এ ভাইরাসের বিপক্ষে ভ্যাকসিন আবিষ্কার সহজ নয়।’

তিনি বলেন, ‘প্রতিটি ভাইরাসের জন্য আলাদা আলাদা ভ্যাকসিনের দরকার হয় কারণ এসবে প্রতিরোধ ক্ষমতাও ভিন্ন হতে হয়। আমরা পোলিওর টিকা আবিষ্কার করেছি মানে এই নয় যে এটি করোনাভাইরাসের জন্যও প্রযোজ্য হবে, এটি একেবারেই ভিন্ন রকম। এটি একেবারেই ভিন্ন।’