নৌকাডুবিতে নিহত ৬৫, পরিচয় মিলল ৪ বাংলাদেশির

প্রকাশিত: মে ১২, ২০১৯ / ০২:১৭অপরাহ্ণ
নৌকাডুবিতে নিহত ৬৫, পরিচয় মিলল ৪ বাংলাদেশির

অবৈধ পথে ভূমধ্যসাগর সাগর পাড়ি দিয়ে ইতালি যাওয়ার সময় তিউনিসিয়া উপকূলে অভিবাসনপ্রত্যাশী বোঝাই নৌকাডুবিতে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৬৫ জন।

ভিডিওটি দেখুন এখানে

এদের বেশির ভাগই বাংলাদেশি। গত শুক্রবারের দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে ৩৭ জন ছিলেন বাংলাদেশি। বিভিন্ন সূত্রের বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো এ খবর দিয়েছে।

জানা যায়, নিহত বাংলাদেশিদের অধিকাংশ ব্যক্তিই গত ডিসেম্বরে দালালদের মাধ্যমে বিদেশে পাড়ি জমায়। ভারত থেকে লিবিয়া হয়ে সাগরপথে অবৈধভাবে ইতালি যাওয়ার পথে ঘটে এ দুর্ঘটনা।

ইতোমধ্যে নিহত সিলেটের ৪ জনের খোঁজ মিলেছে বলে জানা গেছে।

নিহতরা হলেন- ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার কটালপুর এলাকার মুয়িদ পুর গ্রামের হারুন মিয়ার ছেলে আব্দুল আজিজ ( ২৫), একই গ্রামের মন্টু মিয়ার ছেলে আহমদ (২৪), সিরাজ মিয়ার ছেলে লিটন (২৪)। এছাড়াও এ ঘটনায় ফেঞ্চুগঞ্জের দিনপুর গ্রামের আরেকজন প্রাণ হারিয়েছেন। তার পরিচয় এখনও জানা যায়নি।

এ দুর্ঘটনায় আহসান হাবিব শামিম ও কামরান আহমেদ মারুফ নামের আরও দুই যুবক নিখোঁজ রয়েছেন।

নৌকাডুবিতে নিহত আজিজের ভাই মফিজুর রহমান এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, তিউনিসিয়া উপকূল থেকে বেঁচে যাওয়া তার চাচা মুয়িদপুর গ্রামের দিলাল ফোনে জানিয়েছেন নৌকাডুবিতে ফেঞ্চুগঞ্জের ৪ জন মারা গেছেন।

এদিকে, ডুবে যাওয়া নৌকায় ছিলেন সিলেট জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শাহরিয়ার আলম সামাদের ভাই হাফিজ আহসান হাবিব শামিম এবং শ্যালক কামরান আহমেদ মারুফ। মারুফ সিলেটের গোলাপগঞ্জের শরীফগঞ্জ ইউনিয়নের কুদুপুর গ্রামের ইয়াকুব আলীর ছোট ছেলে।

তবে এই দুর্ঘটনার হাত থেকে প্রাণে বেঁচে যান মারুফ আহমেদের ভাই মাছুম আহমেদ। তার বরাত দিয়ে বড় ভাই মাসুদ আহমেদ জানান, মারুফকে বাঁচানোর জন্য অনেক চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। সমুদ্রের স্রোতে সে তলিয়ে যায়। পরে উদ্ধারকারীরা মাছ ধরার একটি নৌকা নিয়ে গিয়ে ১৬ জনকে উদ্ধার করলেও মারুফের খোঁজ পাওয়া যায় নি।