মসজিদে হামলার প্রতিশোধ শ্রীলংকায়: কিন্তু যা বলছে নিউজিল্যান্ড

শ্রীলংকার হামলার সঙ্গে গত মাসে নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে খ্রিষ্টান সন্ত্রাসবাদী হামলার কোনো সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে দেশটির প্রধানমন্ত্রী জাসিন্দা আরডানের কার্যালয়।মঙ্গলবার গোয়েন্দা প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানায় নিউজিল্যান্ড।

এদিকে শ্রীংলকায় রোববার আত্মঘাতী হামলায় ৩২১ জন নিহতের ঘটনায় দেশটির পক্ষ থেকে নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে মুসলিমদের ওপর হামলার ঘটনায় এ হামলা চালানো হয়েছে বলে আনুষ্ঠানিকভাবে বলা হয়।গত ১৫ মার্চ ক্রাইস্টচার্চে দুই মসজিদে সন্ত্রাসী হামলায় ৫০ জন মুসলমান শহীদ হয়েছেন।

আরডানের মুখপাত্র বলেন, সরকার শ্রীলংকার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বিবৃতি পর্যালোচনা করেছে। ক্রাইস্টচার্চে হামলা ও ইস্টার সানডেতে হামলার ঘটনার বিষয়টি দেখেছে। আমরা বুঝতে পেরেছি শ্রীলংকা প্রাথমিকভাবে তদন্ত করেছে। তিনি বলেন, নিউজিল্যান্ড এখনো এমন কোনো গোয়েন্দা প্রতিবেদন দেখেনি যার ওপর ভিত্তি করে এর মূল্যায়ন করা যেতে পারে।

এখন পর্যন্ত হামলার ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে পুলিশ ৪০ জনকে আটক করেছে। নাশকতার তদন্তে সর্বোচ্চ ক্ষমতা দেওয়া হলো শ্রীলঙ্কার পুলিশ এবং সেনাকে। এর ফলে আদালতের নির্দেশ ছাড়াই কোনও অভিযুক্তকে গ্রেফতার বা জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে তারা।

মঙ্গলবার থেকে হামলার ঘটনায় নিহতদের গণকবর দেওয়া শুরু হয়েছে শ্রীলঙ্কায়। এদিন সকাল সাড়ে ৮টার সময় সারা দেশজুড়ে নীরবতা পালনের পরপরই শুরু হয় গণকবর।রোববার ইস্টার সানডেতে শ্রীলংকার তিনটি গির্জা, তিনটি হোটেলসহ অন্তত আটটি স্থানে পরপর বোমা হামলা হয়। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে ৩৬ জন বিদেশি নাগরিক। আহত পাঁচ শতাধিক।