জেলের বন্দিদের যৌ’ন সুখ দিতে মহিলা কারারক্ষী !


বন্দিজীবন কঠোর এক নিয়মের বেড়াজাল। শাস্তির কারণে সুখের ও কোনও জায়গা নেই। কিন্তু সে তো আইনের কথা। আইন যখন আছে, তবে তার ফাঁকও আছে। আর সেই ফাঁক-ফোকর এমনভাবে কাজে লাগাল ফ্রান্সের এক জেলের বন্দিরা, তা দেখে চোখ কপালে উঠেছে গোটা বিশ্বের। সেখানে মহিলা কারারক্ষীকেই তারা রাজি করিয়ে ফেলেছে মুখমেহনে। বন্দিদশাতেই তাই মিলছে ওরাল সেক্সের সুবিধা, এবং তাদের যৌন সুখের চাহিদা ও মিটছে।

ঘটনার একটি ভিডিও সম্প্রতি ভাইরাল হয়েছে ইন্টারনেটে। জেলের মধ্যেই যে ভিডিওটি তোলা হয়েছে তা নিয়ে কোনও দ্বিমত নেই। ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে, নগ্ন অবস্থায় এক মহিলা কারারক্ষীকে ডাকছেন এক বন্দি। কারারক্ষীটি তার কাছেও চলে গেলেন। তাদের মধ্যে কিছুক্ষণ কথাবার্তা হল। তারপরই এদিক, ওদিক তাকিয়ে মহিলা ঝুঁকে বসে পড়লেন সেই বন্দির সামনে। ভঙ্গিমা দেখে স্পষ্ট যে মুখমেহনের কাজই চলছে। ছোট্ট এই ভিডিও ক্লিপিংই তোলপাড় করে ফেলেছে সেই দেশ। ঘটনাটি দেশের এক প্রথম সারির সংবাদপত্রের খবর হিসেবে প্রকাশিতও হয়েছে। তারপরই নড়েচড়ে বসেছে জেল কর্তৃপক্ষ।

ভিডিও দেখে বন্দির পরিচয় জানতে অসুবিধা হয়নি। জানা যাচ্ছে, মাদক নেওয়া বা এই সংক্রান্ত অপরাধেই সে এখানে বন্দিদশা কাটাচ্ছে। কিন্তু জেলের ভিতরও যৌনসুখের বন্দোবস্ত করে ফেলেছে। মহিলা কারারক্ষীকেও চিহ্নিত করা সম্ভব হয়েছে। জানা যাচ্ছে, সেখানে কাজ শিখতে এসেছিলেন ওই মহিলা কারারক্ষী। ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পরই তাঁকে বরখাস্ত করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর।

কিন্তু এই ভিডিও জেলের ভিতরের ছবিটা খুব স্পষ্টভাবেই দেখিয়ে দিয়েছে। নামেই বন্দিদশা, আসলে অপরাধীরা জেলের ভিতরটাকেও নিজস্ব সাম্রাজ্যে পরিণত করেছে এবং সেখানে তারা বহাল তবিয়তে সুখের পাথেয়ও জোগাড় করে ফেলছে। জেলের মধ্যে ফোন বা নেশার জিনিস সরবরাহ করার অভিযোগ ওঠে প্রায়ই ।

কিন্তু তা বলে কারারক্ষীকে রাজি করিয়ে ওরাল সেক্সের ঘটনা এর আগে খুব একটা শোনা যায়নি । সবচেয়ে বড় কথা, মহিলা কারারক্ষীটির উপর কোনওরকম জোর করেননি কিন্তু ওই বন্দি। যেন কর্তৃপক্ষর চোখ এড়িয়ে নিজের ইচ্ছেতেই এ কাজে রাজি হয়েছিলেন ওই কারারক্ষী। তাহলে কি জেলারের নজর এড়িয়ে বন্দিরা শরীরের চাহিদা মেটাতে সেক্স ব়্যাকেটও চালাচ্ছে জেলের মধ্যে?এখন সেই প্রশ্ন ও উঠতে শুরু করেছে। -এএসএমওয়াই