প্রথম রাতে নিককে বাড়িতে ডেকে পাঠান প্রিয়াঙ্কা, তারপর…

মার্কিন পপ গায়কের সঙ্গে নতুন জীবন শুরু করতে চলেছেন প্রিয়াঙ্কা। আপাতত তাই দেশি গার্লের জীবনে খুশির হাওয়া। এখন পিগি চপসের ভক্তদের মুখে শুধুই নিক-প্রিয়াঙ্কার প্রেমের আলোচনা। তবে তাদের প্রেম নিয়ে সম্প্রতি ‘ভোগ’ ম্যাগাজিনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মুখ খুলেছেন প্রিয়াঙ্কা-নিক।



সাক্ষাৎকারে নিক ও প্রিয়াঙ্কা জানান, ২০১৭র মেট গালার আগেই তাঁদের আলাপ হয়েছিল। তারা একে অপরের সঙ্গে মেসেজে কথা বলতেন। জানা যায়, নিকই নাকি ২০১৬ সালে প্রিয়াঙ্কার সৌন্দর্যের প্রশংসা করে টুইটারে প্রথম প্রিয়াঙ্কাকে সরাসরি মেসেজ পাঠান। লিখেছিলেন, ‘আমি কিছু ‘কমন’ বন্ধুদের মাধ্যমে তোমার কথা শুনেছি। আমাদের দেখা করা উচিত। ‘এরপরই প্রিয়াঙ্কা নিককে সতর্ক করেন, তার টিমের সদস্যরা এই মেসেজ দেখে ফেলতে পারেন, তাই তাকে কিছু বলার থাকলে যেন তাকে ফোন করে নেওয়া হয়।

‘ভোগ’-এর সাক্ষাৎকারে এদিন খোলামেলা নিক জানান, অস্কারের ভেনিটি ফেয়ার পার্টিতে নাকি তিনিই প্রথম প্রিয়াঙ্কার কাছে হাঁটু গেড়ে বসে সকলের সামনেই প্রেম নিবেদন করেন। বলেন, ‘তুমিই বাস্তব, তোমাকে কি আমার জীবনে পেতে পারি?’ নিকের কথায়, এরপরই প্রিয়াঙ্কা তাকে বাড়িতে আমন্ত্রণ জানান। নিক যেদিন রাতে প্রিয়াঙ্কার বাড়িতে যান, সেদিন তার মা মধু চোপড়া টিভি দেখছিলেন। আর পাশের ঘরে বসে প্রিয়াঙ্কা-নিক বেশ কিছুক্ষণ গল্প করেন। প্রিয়াঙ্কা জানান, ‘সেদিন নিক চলে যাওয়ার সময় আমার পিঠ চাপড়ে দেয়, তবে চুম্বন করেনি। আর কিছুই ঘটেনি সেদিন। এটাই আমার আপশোস।’

প্রিয়াঙ্কার এই কথা শুনে ‘নিক হাসতে হাসতে বলেন, ওই দিন তোমার মা ঘরে উপস্থিত ছিলেন, প্রথম দিন এই ভদ্রতা করা উচিত।’ পাল্টা উত্তরে প্রিয়াঙ্কা রাগ দেখিয়ে বলেন, ‘একটু বেশিই ভদ্রতা করে ফেলেছিলে।’

এখানেই শেষ নয়। ‘ভোগ’-এর এই সাক্ষাৎকারের নিক আরও জানান, সেদিন আমি প্রিয়াঙ্কার সামনে হাঁটু গেড়ে বসে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, ‘তুমি কি পারবে আমায় পৃথিবীর সবেথেকে সুখী পুরুষ করতে এবং আমায় বিয়ে করতে?’। আর প্রিয়াঙ্কা এর উত্তর দিতে মাত্র ৪৫ সেকেন্ড নিয়েছিলো। আর এরপরেই আমি ওকে বলেছিলাম, ‘তোমার কোনো আপত্তি না থাকলে তোমার হাতে আমি এই আংটিটা পরিয়ে দিতে পারি?’

নিক-প্রিয়াঙ্কার এই কথপোকথন শুনে সেখানে উপস্থিত নিজের দাদা ও বৌদি জো জোনাস ও সোফি টার্নারও চুপ থাকতে পারেননি। জো জোনাস বলেন, সেসময় তার ভাই নিক প্রেমে পাগল হয়ে গিয়েছিল। সারাক্ষণ বসে থাকতো, আর ওর অবস্থা দেখে হাসি চাপতে পারত না সোফি। নিককে দেখে মনে হতো যেন ও কোনোভাবে মারধর খেয়ে বসে রয়েছে। কিংবা কোনো ছোট শিশু নেশা করে বসে রয়েছে।

সুত্র: জিএন