নিরাপত্তার জন্যই সীমান্তে সেনা সমাবেশ ও গুলির্বষণ: মিয়ানমার

প্রকাশিত: মার্চ ৩, ২০১৮ / ১০:০৬পূর্বাহ্ণ
নিরাপত্তার জন্যই সীমান্তে সেনা সমাবেশ ও গুলির্বষণ: মিয়ানমার

সীমান্তে নিজেদের অংশে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য বাড়তি সেনা মোতায়েন ও গুলির্বষণ করেছিল বলে জানিয়েছে মিয়ানমার। মিয়ানমার সীমান্ত পুলিশ আরো জানিয়েছে, ভবিষ্যতে সীমান্তবর্তী এলাকায় ফাঁকা গুলিবর্ষণের আগে বাংলাদেশকে অবহিত করবে। বৈঠকে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার অজুহাত দেখিয়েছে দেশটি।

ভিডিওটি দেখুন এখানে

শুক্রবার (২ মার্চ) বিকাল ৩টার দিকে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম সীমান্তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ক্যাম্পে পতাকা বৈঠকে বসে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী। বিকাল ৪টা ৪০ মিনিটের দিকে বৈঠক শেষ হলে সংবাদ সম্মেলন করে এ তথ্য জানান ৩৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মঞ্জুরুল হাসান খান।

মঞ্জুরুল হাসান খান বলেন, ‘মিয়ানমার সীমান্ত পুলিশ আরও জানিয়েছে, ভবিষ্যতে সীমান্ত এলাকায় ফাঁকা গুলির আগে বাংলাদেশকে অবহিত করবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘মিয়ানমার সীমান্ত পুলিশ বিজিবির কাছে প্রশ্ন করে, সীমান্তে বাংলাদেশ কেন সিসি ক্যামেরা স্থাপন করেছে। জবাবে আমরা জানাই, এটা মিয়ানমারকে টার্গেট করে করা হয়নি, অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্যই আমরা এটা করেছি।

তুমব্রু সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থানকারী রোহিঙ্গাদের যে কোনও সময় নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে প্রস্তুত রয়েছে বলেও জানিয়েছে মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনী পুলিশ (বিজিপি)। দুই দেশের কূটনৈতিক পক্রিয়া শেষ হলে তাদের ফিরে নিয়ে যাওয়া হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।’

এর আগে শুক্রবার সকালে বান্দরবান উপজলার ঘুমধুমের তুমব্রু সীমান্তের নো-ম্যানস ল্যান্ড এলাকা পরিদর্শন করেছেন বান্দরবান জেলা প্রশাসক দীলিপ কুমার বণিক, ৩৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মঞ্জুরুল আহসান খাঁন, বান্দরবান লামা উপজেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আব্দুস সালাম, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম সরওয়ার কামাল প্রমূখ।