এখন থেকে মালয়েশিয়ায় প্রবাসী শ্রমিকরা এই কাজ করলেই পড়বেন মহা বিপদে!…

প্রকাশিত: মার্চ ২, ২০১৮ / ০৪:১১অপরাহ্ণ
এখন থেকে মালয়েশিয়ায় প্রবাসী শ্রমিকরা এই কাজ করলেই পড়বেন মহা বিপদে!…

মালয়েশিয়ায় শ্রমিক ভিসায় থেকে ব্যবসায় পরিচালনা করার সাথে অভিবাসীদের সম্পৃক্ততা নিয়ে সম্প্রতি একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম নিউ স্ট্রাইটিস টাইমস৷ সে প্রতিবেদনে বলা হয়, সমস্যাটি স্বীকার করে অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক সেরী মোস্তফার আলী নিউ স্ট্রাইটিস টাইমসকে বলেছেন, দুই মাসে ৭,২২৫ জন অভিবাসিকে আটক করেছে অভিবাসন বিভাগ৷এদের মধ্যে অনেকেই অবৈধ ব্যবসার সাথে জড়িত৷

ভিডিওটি দেখুন এখানে

এছাড়া অবৈধ বিদেশী কর্মীদের আশ্রয় দানের জন্য ১৬১ জন স্থানীয় নিয়োগকারীদেরও গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানান তিনি৷

মোস্তফার নিয়োগকারীদের দোষারোপ করে বলেন যে, তারা বিদেশী কর্মীদের ভিসার অপব্যবহার করে অন্য ক্ষেত্রে কাজ করার অনুমতি দেয়৷তিনি বলেন, অভিবাসীরা তাদের কর্মস্থলের মজুরি ছেড়ে বেশি অর্থ অর্জনের জন্য ব্যবসার প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠায় আগ্রহী৷তিনি উদাহরণ টেনে বলেন, তারা কৃষি কাজ করতে এসে এখানে ব্যবসা করছে৷

মুস্তাফার বলেন “স্থানীয় কর্তৃপক্ষের ব্যবসা লাইসেন্সের অপব্যবহার বন্ধ করতে হবে। আমরা কুয়ালালামপুর সিটি হলের প্রচেষ্টার প্রশংসা করি, তাদের এটাও নিশ্চিত করতে হবে যে তাদের কর্মীদের অর্ধেক হবে স্থানীয় ৷,,

মোস্তফার এনএসটি স্পেশাল প্রোবস টিম ও মেয়র তান শ্রী এমডি আমিনকে সাথে নিয়ে লিমবা পুডু এলাকাতে অভিযান পরিচালনা করেন৷তিনি বলেন, এই এলাকাটি ব্যবসার জন্য হতাশাজনক, বিদেশিদের দ্বারা এখানে অবৈধ ব্যবসা পরিচালিত হচ্ছে৷

“তাদের ব্যবসা মালয়েশিয়া চালানোর মতো নয়।তারা সব ধরণের জিনিস বিক্রি করে এবং সমস্ত ধরণের সেবা প্রদান করে।আমরা একটি দোকানে পতিতাবৃত্তির জন্য বানানো কৌটাঘর পেয়েছি ৷,,

নগর পিতা আমিন বলেছেন,”ব্যবসায়ের মালিকদের জুন পর্যন্ত সময় দেয়া হয়েছে যাতে ৫০ শতাংশ স্থানীয় শ্রমিক নিশ্চিত করে অন্যথায় তাদের লাইসেন্স প্রত্যাহার করা হবে৷,,

অভিবাসীদের অবৈধ ভাবে ব্যবসায়ে নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা উল্লেখ করে তিনি আরও জানান, আমরা একটি নতুন নীতি চালু করেছি ৷ আমরা এই বছরে সমস্ত ব্যবসা প্রঙ্গণে নোটিশ পাঠিয়েছি এবং অবশ্যই তা মেনে চলতে হবে ৷ যদি তারা ব্যর্থ হয়,আমরা তাদেরকে শোকজ বার্তা পাঠাবো ৷